২০২০ সালে যখন co666 তার যাত্রা শুরু করেছিল, তখন লক্ষ্য ছিল একটাই – বাংলাদেশের বেটিং সম্প্রদায়ের জন্য এমন একটি জায়গা তৈরি করা যেখানে নিজের ভাষায় খেলা যাবে, নিজের দেশের পেমেন্ট পদ্ধতিতে টাকা জমা দেওয়া যাবে এবং নিজের মতো সমস্যা হলে নিজের ভাষায় সাহায্য পাওয়া যাবে। এটা শুনতে সহজ মনে হলেও সেই সময় বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য এমন প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল।
বাংলাদেশকে বোঝার চেষ্টা থেকে জন্ম নিল co666
co666-এর প্রতিষ্ঠাতা দল ছিলেন এমন কিছু মানুষ যারা ক্রিকেট ভালোবাসেন এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার বিকাশ নিজে চোখে দেখেছেন। bKash যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন তারা বুঝতে পেরেছিলেন যে এই পেমেন্ট নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে এমন একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা সম্ভব যেটা আগে কেউ করেনি।
প্রথম দিকে co666 শুধু ক্রিকেট বেটিং নিয়ে কাজ করত। ব্যবহারকারীরা সাড়া দিলেন উষ্ণভাবে। কারণটা সহজ – বাংলায় সাপোর্ট, bKash দিয়ে পেমেন্ট এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতি বিশেষ মনোযোগ – এই তিনটি মিলিয়ে co666 হয়ে উঠল অনেকের প্রথম পছন্দ।
বড় হওয়ার সাথে সাথে দায়িত্বও বড় হয়েছে
যত বেশি সদস্য যোগ দিতে শুরু করলেন, co666-এর দলটি বুঝতে পারল যে শুধু একটি ভালো প্রোডাক্ট দিলেই হবে না – একটি দায়িত্বশীল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ২০২২ সালে ভিআইপি ও পুরস্কার প্রোগ্রাম চালুর সময় একটি বিষয় মাথায় রাখা হয়েছিল: পুরস্কার ব্যবস্থাটা এমন হওয়া উচিত যাতে খেলোয়াড়রা আরও বেশি বেট করতে বাধ্য না হয়ে, বরং স্বাভাবিকভাবে খেলেই পুরস্কার পান।
co666-এর ডেইলি মিশন সিস্টেম ঠিক সেই ভাবনা থেকেই তৈরি। পাঁচটি ছোট মিশন যা স্বাভাবিক বেটিংয়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয় – অতিরিক্ত চাপ নেই, কিন্তু পয়েন্ট জমতে থাকে। ঢাকার একজন দীর্ঘদিনের সদস্য বলেন, "আমি আগে যেভাবে খেলতাম সেভাবেই খেলি। কিন্তু co666-এ মিশনের জন্য মাসে মাসে হাজার টাকার বোনাস পয়েন্ট জমে যাচ্ছে, এটা আগে ভাবিনি।"
প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ, খেলোয়াড়ের জন্য সুবিধা
co666 প্রতি বছর তার প্রযুক্তিগত অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। ২০২৩ সালে লঞ্চ হওয়া মোবাইল অ্যাপটি বিশেষভাবে বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক পরিস্থিতি মাথায় রেখে তৈরি। ধীর ইন্টারনেট সংযোগেও অ্যাপটি মসৃণভাবে চলে, কারণ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খেলোয়াড়রাও যেন সমান সুবিধা পান তা নিশ্চিত করা ছিল লক্ষ্য।
লাইভ বেটিংয়ে co666 বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে। ক্রিকেট ম্যাচের প্রতিটি বলের পর ওডস আপডেট হয়, এবং সেই গতি বজায় রাখতে সার্ভারের উপর প্রচণ্ড চাপ সামলাতে হয়। co666-এর প্রযুক্তি দল এই চ্যালেঞ্জটা মোকাবেলা করেছে এবং বড় ম্যাচেও সার্ভার ডাউন হওয়ার ঘটনা প্রায় শূন্যে নামিয়ে এনেছে।
সদস্যরাই co666-এর আসল শক্তি
co666-এ এখন যে ফিচারগুলো আছে তার বেশিরভাগই সদস্যদের পরামর্শ থেকে এসেছে। ভাউচার সিস্টেমের ধারণাটা এসেছিল একজন সদস্যের সাজেশন থেকে যিনি চেয়েছিলেন বিশেষ উৎসবে বিশেষ সুবিধা পেতে। হাই রোলার বিভাগটা চালু হয়েছিল সেই খেলোয়াড়দের কথা ভেবে যারা বড় বেট করেন এবং সেই অনুযায়ী সুবিধা চান।
co666-এর ফিডব্যাক সিস্টেম সবসময় খোলা। লাইভ চ্যাটে, ইমেইলে বা সাপোর্ট টিকেটে যেকোনো মতামত পাঠানো যায়। দলটি প্রতিটি মতামত বিবেচনায় নেয় এবং বাস্তবায়নযোগ্য পরামর্শ পরবর্তী আপডেটে যোগ করার চেষ্টা করে।
ভবিষ্যতের পথে co666
co666-এর পরিকল্পনায় আরও বেশি খেলার মার্কেট, আরও বেশি পেমেন্ট পদ্ধতি এবং আরও উন্নত মোবাইল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে যা বদলাবে না তা হলো আমাদের মূল প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য সেরা, সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং সবচেয়ে মজাদার বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া।
co666 বিশ্বাস করে যে একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম শুধু ভালো প্রোডাক্টের কারণে বড় হয় না – এটা বড় হয় কারণ লক্ষ লক্ষ মানুষ এটাকে তাদের আপন মনে করেন। সেই বিশ্বাস অর্জনের জন্য co666 কাজ করে যাচ্ছে, এবং যতদিন বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলা হবে, ততদিন co666 তার পাশে থাকবে।